ওপরে সেতু – ওঠার পথে
দেড়-দু
মাইল যানজটের হাল্লা।
নিচে ছুটছে পূবপশ্চিম,
সাতসকালের ট্রেন, দূরপাল্লার।
ধোঁয়ায় ঢেকে আবর্জনার পাহাড়,
উঠছে নানান সওয়ারি গাড়ির হাঁক …
অদূরে সেই ঐতিহাসিক
অগমকুঁয়া, শীতলামন্দির –
বাইরে মিশ্র সুবাস, ধুপ,
প্রসাদী ফুল, গুড়ের
জিলিপির।
এক
দোকানির বেঞ্চি পেয়ে বসি,
ঠেকাই
পিঠ প্রবেশপথের থামে।
মৌতাতের
এই রোদটা কিনি, পরোটা আর
ডিমের
ঝোলের দামে।
……
বেলা
বাড়ুক।
ফেরিওয়ালা
দিনের ফেরি,
আপন ঘরের
মাচা থেকে পাড়ুক।
কোথায় সে
যে ইশ্বর, তার
ফাল্গুনখানা ঝাড়ুক –
বেজে
উঠুক মাটির খুরি, কঞ্চির একতারা!
আমি বরং চাখি
এই হট্টগোলটা, বাঁচার
বৈভবে;
স্কুল-ফেরত মেয়েগুলোর কলকলানি দেবে
বাড়ি যাওয়ার তাড়া।

No comments:
Post a Comment