- বলছি, তুমি কি অফিস থেকে ওখানে, মানে
অনুষ্ঠানে আসবে বিকেলে ?
- অফ কোর্স ! তুমি গাইবে আর আমি আসব না ?
ঈষৎ নীরবতা ।
- আর, যদি আমি না গাইতাম ?
- তার মানে ? তুমি না গাইলে নিজেও যেতেনা,
আমিও যেতামনা ।
- ধরো আমি যদি যেতাম !
- কেন যেতে ?
- যাওয়া উচিৎ তো । বাংলার বাইরে থাকি ।
এমনিতেই এধরণের বাংলা নাচগানের অনুষ্ঠানে, বা ধরো, রবীন্দ্রনজরুল সন্ধ্যায় ভীড় তো
জোটেনা, জনে জনে বলে, ফোন করে, এসএমএস, হোয়াটস্অ্যাপ করেও হাতে গোনা পঞ্চাশজন !
মানে, বাইরের পেশাদার শিল্পী তো আর আনাচ্ছিনা, নিজেরাই করছি, ঘরের মেয়েরা, বৌরা...!
অন্ততঃ গিয়ে তো সহযোগিতা করা যায় !
- সে তুমি যেতে । আমাকে টানছো কেন ?
স্ত্রী কাছে আসেন । স্বামীর কব্জিতে হাত
রেখে আব্দারের সুরে বলেন, “বা ধরো আমি যেতামই না । এমন শরীর খারাপ হত... তোমাকেই
বলতাম যে অন্ততঃ তুমি যাও ।
স্বামী কব্জিটা সরিয়ে নেন, “এত উত্যক্ত করো
কেন বলো তো ? ওসব ফালতু সেন্টিমেন্টের সাথে আমি নেই । বেশি বললে যাবোই না ।”
- আমিও তাই বলছিলাম । তোমার গিয়ে কাজ নেই ।
২৭–৫-১৭

No comments:
Post a Comment