যখন বিদায় নেবে, সন্ধে হয়ে থাকবে রাস্তাটা!
বাচ্চারা আঁধারে খেলবে দিনের শেষ খেলাটুকু,
নন্দুর মা দরজায় বসে ঘাসঝুড়ি বুনছেন …
রাস্তা-মেরামতি ধুলোয় দুজনে নাকমুখ ঢেকে
মন্দিরের চাতাল পেরিয়ে হাত দেখাই অটোকে
‘সাবধানে যেও’ বলে চেয়ে দেখি দিগন্তে
রক্তাভা
একটু গেলে দেখব শিমুল ছড়িয়ে গোরস্তানে
তবু যাই না, তুমি গেলে কই? সর্বস্বে রয়েছ …
কিসের বিদায় নেওয়া, কেন, বুঝি না, বুঝবও না
বেশি বোঝাতে যেও না তো! হাত সরাও পিঠ থেকে! …
না থেকে থাকা তোমার তীব্রতর করি সারাদিন
ছড়িয়ে থাকা মক্শোগুলোয়, কাটাকুটি যুদ্ধেমুদ্ধে,
নিজের ভিতরে সত্যটা জিয়োতে – তুমিও বুঝবে –
ভালোবাসতে ভালোলাগাটাই ঋদ্ধি নশ্বরতার
২৪.৪.২৬