বাংলার লড়াইয়ে খুব
কম আছি আমি –
পাটনার মাটিতে দাঁড়িয়ে
–
প্রায় না থাকারই
মতো।
এটা সত্যি,
তবে এমনকিছু বড়ো
সত্যি নয়।
বড়ো সত্যিটা হলো,
বাংলার পুরো লড়াইটা
আমার
ভিতরে চলছে প্রতিদিন
…
ঠিক বোঝাও যায় না
সবসময় তার
হালহকিকৎ,
যেমন আমার শরীরের
ভিতরে কী চলছে,
হৃৎপিণ্ড, ফুসফুস,
যকৃৎ বা প্লীহা
এবং সেরকমই আরো সব
কী বলছে,
ডাক্তার জানতে পারে,
আমি জানি না।
সকালে ডানহাতে কলের
জল নিতে নিতে
বাঁহাতে জানলা খুলি
আকাশে,
তখনই হয়তো একটা আর্তস্বর
ছুঁচলো ব্যথার মতো
ভিতর থেকে চাগিয়ে
উঠল;
কার আওয়াজ?
কারই বা,
পরের নীরবতা অনেকক্ষণ?
…
শেষটাও স্পষ্ট দেখতে
পাই না,
না লড়াইয়ের না শরীরের।
এ মুহূর্তে এ কথাটা
অবান্তর
যে ভারতের পুরো লড়াইটাও,
পৃথিবীর পুরো লড়াইটাও
ইত্যাদি …
ভাষাটা যে জন্মদাগ
আমার!
নিউরন! –
ঐ যার কৃত্রিমটা
যুগ আজকাল –
সে ভাষার দুশো বছর!
হাজার বললাম না,
মগজের
ধক লাগে। নেই।
আর পতাকা তো একটাই
–
লাল!
২৬.৪.২৬
No comments:
Post a Comment