সে যে এক কাব্য হয় – অন্তর্গত নিসর্গ
নিরিখে
অশ্রুবর্ষণ করার, ঘাতকের নামটা না লিখে?
ঘাতকও উত্তরীয়ে মোছে চোখ, শিল্পীর সম্মানে!
শিক্ষানবিশ বালখিল্যেরা সূক্ষ্মতর ব্যথাহুতি ঘ্রাণে,
সত্বর এগোয় – চাতুর্য চমকে হয়
প্রতিবাদী!
ঘাতক বড়ই খুশি, ছাগলে সোনার ছাড়ে নাদি।
ঘাতকের নাম বলা ক্রমে হয় কুশিল্প ঘোষিত –
‘শব্দ হোক, রঙ, … হোক জীবনের অনিত্যে
পোষিত’!
নিহতের ঘরে দেখি, চোখে চোখে, ইঁটে, আসবাবে,
ঘাতকের নাম ঘৃণার অব্যক্ত আগুনে কিংখাবে।
ধূর্ত ধর্ষকও ক্রমে মুখ নেয় মৃত ধর্ষিতার
ঘটনার প্রতিশোধ চায়! … শিল্পকর্ম নির্বিকার
নিষ্প্রাণ মুখটির দিকে ঈষৎ লজ্জানত চায়।
তারপর চিরন্তন সৌন্দর্য সন্ধানে চলে যায়।
২১.৪.২৬
No comments:
Post a Comment