ভারতপথ
বাড়িরই রাস্তা দোস্ত!
তবে, সোজা পথটা নয়,
জমজমাট বাজারও নেই,
কম লোকেই যায়।
অনেক পাড়া,
ঘিঞ্জি হয়ে,
একটু হয়ত ইচ্ছে করেই
হেথা হোথা থামতে থামতে
জটলা ঘুরে যায়।
অনেক জিনিষ
দেওয়ার থাকে
পিসির বাড়ি, মাসির বাড়ি
অনেক হিসেব
দেওয়ার থাকে
হাড়কঞ্জুষ দিদার বাড়ি
দোকানঘরের
মেয়েটাকে,
খেলে ফেরা ছেলেটাকে
‘কেমন আছিস’ না বলে কি
এমনি যাওয়া যায়?
সবার প্রিয়,
সবার কাজের,
যে সোনাটার ঘরের খেয়ে
বা না খেয়ে বনের মোষ
তাড়াতে সাধ যায়।
আটকা পড়ে
চায়ের ঠেকে
বন্ধুসঙ্গে চর্চা সেরে
কালকের
কাজ, চলার ছক,
সারা দেশের গ্রামশহরে …
ভারতপথের
নকশাগুলো,
দ্রুত চলার ছায়ায় গলির
সাবানজল পেরিয়ে ঢেউ
তিন সাগরে যায় …
তিন-সমুদ্র-পাহাড় জোড়া কলতানের ফাঁকে
বাড়ি বলতে কোলে তোলা কালকের দিনটাকে,
একটা জীবন তারই জন্য; উত্তাল রাজপথ,
হেরে যাওয়ার হিসেব রাখি – বদলটা দুর্মদ।
ভারতপথটা
বাড়িরই এক পথ!
ফেরার
ছলে ঢেউয়ের সঙ্গত!
৬.৬.২২/৭.৮.২৬
আশঙ্কা তো প্রতিটি দিন!
সাঁজোয়া হোক, ফতোয়া হোক,
কম ভুগেছে মানুষজন?
তাই রাখতে হাওয়ায় চোখ

No comments:
Post a Comment