তিনমুখো
পুলের ওপরে তেমাথায় বহাল
তিন
বয়সের তিন মহিলাপুলিস
ঝাংরি
থেকে খুঁটে কাঁচা ছোলা খাচ্ছেন হাসি হাসি
(বিহারে
ঝাংরি বলে, বাংলায় জানা নেই)
রোদ
পড়ছে শীতের সকাল সাড়ে ছটার,
গায়ে,
চেহারায়;
তবে
গরম নয়; চিবোনোর ঘাম জমছে নাকে,
খোসা
আর পাতার কুচি ঝরছে খাকিতে এদিক ওদিক।
বাড়িতেও
উঠোনে তারা এভাবেই বসতেন –
বড়োজন
মা হয়ে বৌ আর মেয়েকে নিয়ে কিংবা
মেজো,
বৌ হয়ে শাশুড়ি ও ননদের সাথে
কিংবা
ছোটোটি মেয়ে হয়ে মা আর বৌদির কাছে
তবে
সেটা সকালে হতো না – এত
কাজ থাকে – হতো
পুরুষহীন
বিকেলে এবং
একটা
ছাগল এসে ঝাংরিগুলো শুঁকত …
এখন
এই ট্রাফিকশূন্য সকালের আসমানি তেমাথায়
ছাগলটা
পাই কিকরে?
পেলে
দৃশ্যে ঢুকিয়ে দিতাম।
দেখতাম
… কী দেখতাম? জানি না।
পৌষের
সংক্রান্তি পেরোলো না সেদিন?
২.২.২০২৫
No comments:
Post a Comment