Friday, March 14, 2025

রাণীশ্বরে একুশে ফেব্রুয়ারি

তেমাথায় আমগাছটা থাকবে।
অন্য কেউ উঠলে বড়োরাস্তায়,
টিপটিপ ভেজাবে ফেব্রুয়ারির
মেঘলা দুপুর বাজারে, প্রান্তরে।
বাইক দাঁড় করিয়ে, বাংলাপ্রাণ
দুই বাহাত্তুরে জিজ্ঞেস করবে,
পরবর্তী বাসটা যাবে কখন
দুমকা কিম্বা সিউড়ি তখনই
মুকুলগন্ধ জড়াবে নশ্বরতা।
 
এবংবিধ যাপনগুলো কখনো
জন্ম নেওয়া হয়। গৌতমবাবুর
ডাকে তন্ময়, রতনবাবু, আমি,
ময়ূরীর কেকায় ধ্বনিত আশ্রমে
কাটাই একসন্ধ্যা-রাত-সকাল
বালকেরা পড়ে। রান্নার মাসিরা
রাঁধেন। তত্ত্বাবধায়ক স্বামীজি,  
সাঁওতাল, সবার অভিভাবক,
নিজে সব পাতে চাটনি বাড়েন। 
 
খুব নতুন কিছু করি না, জানি।
জিইয়ে রাখি স্বপ্ন, প্রশ্ন, সংগ্রাম।
অলখ জাগিয়ে রাখা যাকে বলে।
দাঁতের চাপে নড়ে যায় চোয়াল।
একতার সূত্র, বন্ধু, ফুল ছিঁড়ে
সুতোয় খুঁজো না। দেশ ঋদ্ধ হয়
বাঙালি-তামিল-ভীল-মিজো-সিন্ধি-
পাঞ্জাবিয়ানায়। নিরাময় পায়,
মুক্তিপথে দীর্ণ উপমহাদ্বীপ।

২৪.২.২৫

No comments:

Post a Comment