Wednesday, April 2, 2025

কন্নড়

হয়তো ওই দ্বিতীয় গলিটায় তুমি থাকতে।
বেশ জমজমাট ছিল, ভিড়, দোকানপাট
দুএকবার ফিরেছিলাম সন্ধ্যায়!
তবে মারিয়াম্মা মন্দির ধরে চেনা রাস্তার অভ্যেস
তাড়াতাড়ি ফেরার তাগিদ
অভ্যস্ত দোকান থেকেই রোজকার
                টুকিটাকি কেনার লোভ
এড়াতে পারি নি।
হয়তো ওই গলি ধরেই রোজ ফেরার
অভ্যেস করতে হতো।
দেশোয়ালি দোকান কয়েকটা ধরতে হত রোজকার।
সময়টাও প্রশস্ত ছিল লকডাউনে বন্দি;
নইলে ওই শহরে গিয়ে থাকা আর হয় কোথায়?
 
হয়তো ওই গলি ধরেই অভ্যেস করতে হতো
রোজ বিকেলে বেরিয়ে হেঁটে ফেরার।
কোনো একটি বাঁক ঘুরতেই আধোঅন্ধকার দোতলায়,
তোমাকে দেখতে পেয়ে যেতাম
যেমন তামিলে জুঁই ফোটার জানালা,
তেমনই তোমার বসন্ত রানীর আকাশ!
কবে থেকে সন্ধানে ছিলে,
সমুদ্রের তীরে ঝোড়ো বৃষ্টি থেকে আমগাছে ভরা পাহাড়ের
গরম অব্দি তোমায় চকিত অনুভব করেছি কান্নাডিগা
                                                   কাহিনীগুলোতে

১.৪.২৫ 

সকালে সিঁড়িতে বসেছিলে

সকালে সিঁড়িতে বসেছিলে, মুখে আলো।
বন্ধুত্বও হয়েছিল একটু, সেদিনই।
অনেক পরে, তখন এন্তার দুর্নাম
বাসস্ট্যান্ডে দেখলাম;
                                মায়ায় পড়েছি।
আজ ভাবি অন্নচিন্তা আপনজনের,
শেখালো বাজানো, বাদ্য করে, মন্দভাগ্য!
দেহে মনে ক্লেদস্পর্শ নিয়ে ক্ষোভটাকে,
হর্ষোল্লাস দেখানোর দাপট গেয়েছ।
 
প্রণয় পেয়েছ মিথ্যা, বন্ধুত্ব ভেজাল!
সবাইকে সুখে রেখে, টেনেছ জোয়াল।
ভাবি আরেকটু কাছে বন্ধুত্বে দাঁড়ালে,
ক্ষতিবৃদ্ধি কিছু হোক বা না হোক, রোজ
তুমুল কিছু ঝগড়া হলে, প্রতিবার
গাল খেতাম তোমার, নিঃস্বতা কমত।
 
২৯.৩.২৫