চা নয়,
চা নিয়ে বসাটা আসল,
চা-ঘরের
দিকে পিঠ, বহির্মুখে চেয়ে,
ন্যূনাধিক
বিপর্য্যস্ত অন্তর্মুখে ধেয়ে;
ক্যানভাসে
পাওয়া বিশ্ব, রোদ্দুরে সচল।
বস্তুতঃ
যে এক প্রশ্নে সারাটা জীবন
ফিরে
আসা প্রাত্যহিক – এগোই
কিভাবে –
তার
ধন্ধে খুঁজি রাস্তা – দিনটা
পোহাবে …
ফসল
না হোক, রক্তে থাকবে কর্ষণ।
সব জমি
দোআঁশলা নাও হতে পারে।
উদ্গত
সুরের বন্যা সবার জোটে না।
তবুও
জনপদের চা-ঘরের দেনা,
অক্ষরে
বেঁচে থাকার জেদ দেয় হাড়ে।
তোমারো
দেনা হে প্রমোটারনি রমণী!
চা-ঘরে
সিগ্রেট ঠোঁটে, কর্মী পরিবৃত,
জিন্স-টপে
ধুঁয়াধার … ক্যানভাসে নীত;
এবার
দৃশ্যটা পুরো। ক্ষীণ প্রতিধ্বনি
এই মহানগরীর
– যেখানে অতিথি,
বেড়াচ্ছি
কয়েক দিন কন্নড় আকাশে,
বহুভাষী
মানুষের প্রবাহের রাশে।
টানে
অপরিচয়ের আত্ম-প্রতিকৃতি।
১০.৯.২৬
No comments:
Post a Comment